২৬ মৌসুমের এমএলএসের ১৬তম রাউন্ডে ঘরের মাঠে শিকাগো ফায়ারকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় ইন্টার মায়ামি। মাত্র ১৮ মিনিটে নভোর গুরুতর ভুলে আত্মঘাতী গোল হলে এগিয়ে যায় শিকাগো। পরে সুয়ারেজের জোড়া গোলে মায়ামি ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। শিকাগোর হয়ে সমতা ফেরান ডিসেজান, তবে শেষ বাঁশির আগে প্লানবেকের জয়সূচক গোলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে মায়ামি। এই ম্যাচে শিকাগোর হয়ে অভিষেক হয় লেভানডোভস্কির, কিন্তু নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর তাঁকে আগেই তুলে নেওয়া হয়।

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
১৮’: এ কী করলেন! গোলরক্ষক নভোর বিরাট ভুলে আত্মঘাতী গোল, শিকাগো ১-০ মায়ামি।
২৭’: পেনাল্টি থেকে সুয়ারেজের গোল, শিকাগোর বিপক্ষে ১-১ সমতায় মায়ামি।
৫১’: বলের নাগাল পেয়ে জোরালো শটে দ্বিতীয় গোল সুয়ারেজের, শিকাগোর বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে মায়ামি।
৬৭’: বদলি খেলোয়াড়ের চমক! বক্সের ভেতর নিচু শটে ডিসেজানের গোল, মায়ামির বিপক্ষে ২-২ সমতায় শিকাগো।
৮৭’: সুয়ারেজের শট ঠেকিয়ে দেওয়ার পর বক্সের ভেতর ফিরতি বলে প্লানবেকের গোল, শিকাগোর বিপক্ষে মায়ামি ৩-২।
নিয়মিত ঘটনা
১১’: বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শট নেন সুয়ারেজ, তবে সর্বশক্তি দিয়ে তা ঠেকান এক ডিফেন্ডার।
১৩’: দ্রুত উঠে গিয়ে একক প্রচেষ্টায় গোল করেন বাম্বা, তবে অফসাইডের সিদ্ধান্তে তা বাতিল করেন রেফারি।
২৩’: বক্সের বাইরে থেকে সুয়ারেজের দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
৩৬’: দ্রুত বক্সে ঢুকে পড়েন সিলভেত্তি, পরে তাঁর নিচু শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।
৩৭’: বক্সের ভেতর বোত্রামের হেড সর্বশক্তি দিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।
৪৫+৪’: মায়ামির বিপজ্জনক ক্রস থেকে সুযোগ তৈরি হলেও সুয়ারেজের ওভারহেড কিকের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
৬২’: অভিষেকে নিষ্প্রভ; দল পিছিয়ে থাকা অবস্থায় লেভানডোভস্কিকে আগেই তুলে নেওয়া হয়।
৬৪’: হলুদ কার্ড—এলিয়ট (শিকাগো ফায়ার), ফাউলের জন্য।
৭০’: দারুণ সুযোগ নষ্ট! গোলমুখে বল পেয়েও তাতে পা ছোঁয়াতে পারেননি রোদ।
৮২’: বক্সের বাইরে থেকে রেগিলনের দূরপাল্লার শট সরাসরি ওপর দিয়ে চলে যায়।
পরিসংখ্যান
খেলোয়াড় তালিকা
ইন্টার মায়ামির শুরুর একাদশ: ৩৪-নভো, ৩-রেগিলন, ৪-মুরা, ১৭-ফ্রে (৮৫’ ৩২-অ্যালেন), ১৬-মাইকেল, ৮-সেগোভিয়া, ৪১-রুইজ (৬৯’ ৫৯-প্লানবেক), ৪২-ব্রাইট, ২৪-সিলভেত্তি (৭৪’ ৫৬-পিন্টার), ৯-সুয়ারেজ, ১৯-বোত্রামে।
ইন্টার মায়ামির বদলি দল: ৯৭-সেন্ট ক্লেয়ার, ৩২-অ্যালেন, ৭৬-আবাদিয়া-রেদা, ৭০-সুমারা, ৫৯-প্লানবেক, ৫৫-উরকিদি, ৫৬-পিন্টার, ৫২-রে।
শিকাগো ফায়ারের শুরুর একাদশ: ১-ব্র্যাডি, ৩-এলিয়ট, ১৫-গুটম্যান (৮৮’ ১৪-রাদোয়েভিচ), ১৬-ওয়াটারম্যান, ২৪-ডিন, ৬-সালেত্রোস, ১১-জিনকারনাগেল (৬৩’ ১২-ডিসেজান), ১৯-বাম্বা, ৪২-দাভিলা (৬৩’ ২২-পিনেদা), ৯-লেভানডোভস্কি (৬২’ ১৭-রোদ), ৭-হাইল-সেলাসি (৮৮’ ২০-শোকালুক)।
শিকাগো ফায়ারের বদলি দল: ৪৪-কোহেন, ২২-পিনেদা, ৫-রজার্স, ১৪-রাদোয়েভিচ, ২-বারোসো, ১৭-রোদ, ৩৫-ওরেগেল, ২০-শোকালুক, ১২-ডিসেজান।